Himalayan Shilajit Gold Rasin for Men and Women
১০০% খাঁটি ও অরিজিনাল হিমালয়ান শিলাজিত || স্ট্যামিনা ও শক্তি বাড়ায় || শরীরে ক্লান্তি ও দুর্বলতা কমায় || দৈহিক কর্মক্ষমতা উন্নত করে || সম্পূর্ণ আয়ুর্বেদিক

খাঁটি শিলাজিৎ রেসিন হল আয়ুর্বেদ চিকিৎসক সমর্থিত প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য সম্পূরক যা আপনাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে এবং আরও ভাল কার্য সম্পাদন করতে সহায়তা করে। এটা নিয়মিত সেবন করলে শারীরিক কর্মক্ষমতা বাড়ায় এবং জীবনীশক্তি, শক্তি এবং পুনরুজ্জীবনের জন্য সহায়ক। আমাদের খাঁটি হিমালয়ান শিলাজিৎ রেসিন হিমালয়ের ২০০০ মিটার উচ্চতা থেকে সংগ্রহ হয়, তারপর এটিকে বিভিন্ন পক্রিয়ার মাধ্যমে শুদ্ধ করে এটির সাথে কালো মুসলি, স্বর্ণ ভস্ম, অশ্বগন্ধা এবং গোকশুরা মিশ্রণ করে খাঁটি শিলাজিৎ গোল্ড তৈরী করা হয়।
শিলাজিৎ গোল্ড সেবনের উপকারিতা -
- স্ট্যামিনা ও শক্তি বাড়ায়
- শরীরে ক্লান্তি ও দুর্বলতা কমায়
- দৈহিক কর্মক্ষমতা উন্নত করে
- মানসিক ফোকাস ও মনোযোগ বৃদ্ধি করে
- যৌনক্ষমতা এবং টাইমিং বাড়িয়ে তোলে
- টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বৃদ্ধি করে
- হৃৎপিণ্ড ভাল রাখে
- উচ্চ কোলেস্টেরল কমায়
- বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে পিছিয়ে দেয়
- স্ট্রেস এবং উদ্বেগের লক্ষণগুলি থেকে মুক্তি দেয়
- উর্বরতা এবং প্রজনন স্বাস্থ্য বাড়ায়
- রক্তশূন্যতায় উপকারী
শিলাজিৎ নেওয়া কি নিরাপদ?
হ্যাঁ, পুরুষ কিংবা মহিলা যে কেউ শিলাজিৎ সেবন করতে পারবেন। শিলাজিৎ নেওয়া একেবারেই নিরাপদ কিন্তু , আপনার ডোজ সীমা বাড়াবেন না কারণ এটি আরও কিছু জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
প্রতিদিন 350-500 মিলিগ্রাম শিলাজিৎ গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সাধারণত সকালে বা সন্ধ্যায় ১ গ্লাস গরম পানি/দুধ/মধুর সাথে ১-২ গ্রাম মিশিয়ে খাবেন।
শুধু শক্তি বৃদ্ধিই নয় — শিলাজিত শরীরের শক্তি মেটাবলিজম, হরমোন ব্যালান্স, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও কোষ পুনরুদ্ধারেও উপকারী হিসাবে বিবেচিত। এটি আয়ুর্বেদিক গুণাগুণ নিয়ে বিশ্বজোড়েই জনপ্রিয়।
৭৫% এর বেশি ফুলিরিক অ্যাসিড আছে।
কেশর (Kesar) – For Strength
অশ্বগন্ধা (Ashwagandha) – For Energy
সাফেদ মুসলি (Safed Musali) – For Counter Weakness
স্বর্ণভাস্ম (Swarnabhasma) – For Stamina
শিলাজিত (Shilajit) – For Power
শিলাজিতে থাকা ফুলিরিক অ্যাসিড ও প্রাকৃতিক মিনারেল শরীরে পুষ্টি শোষণে সহায়তা করে এবং প্রাকৃতিক শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে।
নিয়মিত ব্যবহার করলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শরীরে শক্তি ও সহনশীলতার উন্নতি অনুভব করা যেতে পারে। ফল ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে।
কোনো সাইড এফেক্ট নেই, তবে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি হলেও নির্ধারিত মাত্রার বেশি সেবন করা উচিত নয়। কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও নারী উভয়েই ব্যবহার করতে পারেন। তবে গর্ভবতী বা স্তন্যদানরত মায়েদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ আবশ্যক।
সঠিক মাত্রায় নিয়মিত ব্যবহার সাধারণত নিরাপদ।
শুষ্ক ও ঠান্ডা স্থানে, সরাসরি রোদ থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে সংরক্ষণ করুন।